Advertisement

Responsive Advertisement

অনুচ্ছেদ ৭ – শৃঙ্খলা ও শাস্তি

৭.১ থ্রি-স্ট্রাইক পলিসি (তিন সতর্কতা নীতি)সাধারণ নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে (অনুচ্ছেদ ৬-এর ৪৮টি নিষিদ্ধ কার্যক্রম ব্যতীত) নিম্নলিখিত ধাপে শাস্তি প্রয়োগ হবে:
  • ১ম স্ট্রাইক → লিখিত সতর্কতা + ৩০ দিনের জন্য সকল অপারেশন থেকে সাসপেন্ড
  • ২য় স্ট্রাইক → ৯০ দিনের সাসপেনশন + প্রবেশনারি স্ট্যাটাসে ফিরে যাওয়া + পুনরায় প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক
  • ৩য় স্ট্রাইক → স্থায়ী বহিষ্কার (কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য নয়)
ব্যতিক্রম: অনুচ্ছেদ ৬-এর যেকোনো একটি নিষিদ্ধ কার্যক্রম করলে জিরো টলারেন্স – তৎক্ষণাৎ স্থায়ী বহিষ্কার, কোনো সতর্কতা ছাড়াই।৭.২ সদস্যপদ বাতিল প্রক্রিয়া (৭ ধাপ – সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে)১. অভিযোগ গ্রহণ (যে কোনো সদস্য বা সাইবার কমান্ডার রিপোর্ট করতে পারবেন)
২. সেক্টর ১১-এর কাছে তাৎক্ষণিক ফরওয়ার্ড
৩. প্রমাণ যাচাই (স্ক্রিনশট, লগ, লিঙ্ক)
৪. অভিযুক্তকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ (এনক্রিপ্টেড)
৫. অভিযুক্তের লিখিত ব্যাখ্যা গ্রহণ (২৪ ঘণ্টার মধ্যে)
৬. সেক্টর ১১-এর ১১ জন সাইবার কমান্ডারের ভোট (৭৫% ভোটে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত)
৭. সিদ্ধান্ত ঘোষণা + কোডনেম ব্লক + সকল গ্রুপ থেকে রিমুভ + আর্কাইভে “বহিষ্কৃত” মার্ক
৭.৩ আপিল বোর্ড (সেক্টর ১১)
  • আপিল শুধুমাত্র থ্রি-স্ট্রাইক পলিসির ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য (জিরো টলারেন্স কেসে আপিল নেই)
  • আপিল বোর্ড = ওসমানী-৭১ + ১০ জন সাইবার কমান্ডার
  • আপিল জমা দেওয়ার সময়: বহিষ্কারের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
  • আপিল পর্যালোচনা: সর্বোচ্চ ৭ দিন
  • চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: ৯০% ভোটে (একবার প্রত্যাখ্যাত হলে আর কোনো আপিল নেই)
  • আপিল গৃহীত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি ২য় স্ট্রাইক পর্যন্ত কমানো যাবে
মনে রাখবেন:
একবার বহিষ্কৃত হলে কখনো পুনরায় সদস্যপদ দেওয়া হবে না।
নাম আর্কাইভে “চিরতরে বহিষ্কৃত” হিসেবে থাকবে।
জয় বাংলা!
শৃঙ্খলাই আমাদের শক্তি।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
সাইবার সর্বাধিনায়ক
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫

Post a Comment

0 Comments