জয় বাংলা!
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলার দামাল ছেলেরা রাইফেল হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মেজর জিয়া, খালেদ মোশাররফ, শফিউল্লাহ, ওসমানীসহ লাখো বীর যোদ্ধা ১১টি সেক্টরে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ করে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়েছিলেন। আজ, ৫৪ বছর পরে, যুদ্ধক্ষেত্র বদলে গেছে। আজকের যুদ্ধ হচ্ছে সাইবারস্পেসে। আজকের হানাদাররা আর বুটের শব্দে আসে না; তারা আসে বট আর্মির মাধ্যমে, ফেক নিউজের মাধ্যমে, ডিপফেক ভিডিওর মাধ্যমে, বিদেশি প্রোপাগান্ডা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।এই নতুন যুদ্ধক্ষেত্রে আমরা, ১৯৭১-এর মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শের উত্তরসূরি, গঠন করেছি মুক্তিবাহিনী সাইবার সেল। আমরা বিশ্বাস করি – যেভাবে ১৯৭১-এ রাইফেল ছিল মুক্তির অস্ত্র, ২০২৫-এ কীবোর্ডই আমাদের রাইফেল। আমাদের গোলা হলো ফ্যাক্ট-চেক, আমাদের গেরিলা ট্যাকটিক্স হলো ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (OSINT), আমাদের সাপ্লাই লাইন হলো সচেতনতা ক্যাম্পেইন। আমরা কোনো হ্যাকার গ্রুপ নই, কোনো রাজনৈতিক দলের সাইবার উইং নই। আমরা শুধুই দেশপ্রেমিক বাঙালির একটি স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক, শতভাগ অনলাইন সংগঠন। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য – বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অক্ষত রাখা এবং প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা কোটি বাঙালিকে শক্তিশালী করা।ভিশন ২০৩০আমাদের স্বপ্ন হলো ২০৩০ সালের মধ্যে এমন এক বাংলাদেশ, যেখানেমিশনআমাদের প্রতিদিনের কাজগুলো হলো:
- একটি মাত্র ফেক নিউজও ভাইরাল হওয়ার আগেই ১১টি সেক্টরের সাইবার যোদ্ধারা তা শনাক্ত করে ধ্বংস করবে
- প্রতিটি গ্রামের ছেলে-মেয়ে জানবে কীভাবে ফিশিং লিংক চিনতে হয়, কীভাবে স্ট্রং পাসওয়ার্ড রাখতে হয়
- প্রবাসে কোনো বাঙালি যুবক ভিসা জটিলতায় বা মানসিক চাপে একা থাকবে না
- ১০ লক্ষ প্রবাসী বাঙালি পরিবার আমাদের ফ্রি মেন্টরশিপ পেয়ে স্বাবলম্বী হবে
- বিশ্বের যে কোনো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ালে হাজারো বাঙালি একসঙ্গে উত্তর দেবে
- আমাদের ১১টি সেক্টরের নাম শুনলেই শত্রুরা ভয়ে সার্ভার বন্ধ করে দেবে
এক কথায়: যে বাংলাদেশকে ১৯৭১-এ রাইফেল মুক্ত করেছিল, সেই বাংলাদেশকে আমরা কোড দিয়ে অজেয় করে রাখব।
১. ডিসইনফরমেশন হান্টিং
২. ফ্যাক্ট-চেকিং ও রিয়েল-টাইম কাউন্টার ন্যারেটিভ
৩. বট আর্মি, ট্রোল ফার্ম, কো-অর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়র শনাক্ত করে সাইবার পুলিশের কাছে রিপোর্ট
৪. প্রবাসী বাঙালিদের জন্য ৫টি ফোকাস এরিয়া:সবকিছু শতভাগ অনলাইন, শতভাগ স্বেচ্ছাসেবী, শতভাগ আইনসম্মত।সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্রঅনুচ্ছেদ ১ – নাম, প্রকৃতি ও পরিচয় (বিস্তারিত সংস্করণ)
- লিগ্যাল ও সোশ্যাল সাপোর্ট
- বিজনেস ও এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ
- ক্যারিয়ার ও এমপ্লয়মেন্ট
- এডুকেশন ও অ্যাকাডেমিক
- কমিউনিটি ও কালচারাল কানেকশন
৫. ফ্রি সাইবার ডিফেন্স ট্রেনিং (কালি লিনাক্স, OSINT, ডিজিটাল হাইজিন)
৬. ১৯৭১-এর ১১টি সেক্টরের গৌরবকে ডিজিটাল যুগে জাগিয়ে রাখা১.১ পূর্ণ নাম
আনুষ্ঠানিক ও একমাত্র নাম: মুক্তিবাহিনী সাইবার সেল
বাংলা: মুক্তিবাহিনী সাইবার সেল
ইংরেজি: Mukti Bahini Cyber Cell
কোনো বিকল্প নাম বা সাব-ইউনিটের নাম গ্রহণ করা হবে না।১.২ সংক্ষিপ্ত নাম ও লোগো
সংক্ষিপ্ত রূপ: এমবিসিএস (MBCS)
লোগো: লাল-সবুজ পটভূমিতে ১৯৭১-এর মুক্তিবাহিনীর টাইগার হেড এবং কীবোর্ডের সমন্বয়। লোগোর নিচে লেখা থাকবে “১৯৭১ → ২০২৫”।১.৩ প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস১.৪ সংগঠনের প্রকৃতি ও চরিত্র
- প্রাথমিক উদ্ভব: ডিসেম্বর ২০২৪ (২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনের সময় অনলাইন অ্যাক্টিভিজম হিসেবে)
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ও গঠনতন্ত্র কার্যকর: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ (বিজয় দিবসের প্রাক্কালে)
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: অ্যানোনিমাস (কোডনেমে পরিচালিত) – সেক্টর ১১-এর অধীনে
- প্রথম অপারেশন: ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে ফেক নিউজ কাউন্টার অপারেশন
১.৫ ভৌত ও আর্থিক অস্তিত্ব
- সম্পূর্ণ অলাভজনক (Non-profit)
- সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক (No affiliation with any political party or ideology)
- সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী (100 % volunteer-based)
- শতভাগ অনলাইন (No physical office, no offline meetings, no physical events)
- কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশ নয়
- কোনো বিদেশি ফান্ডিং বা সহায়তা গ্রহণ করে না
১.৬ যোগাযোগ ও অফিসিয়াল চ্যানেল
- কোনো ভৌত কার্যালয় নেই
- কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই
- কোনো মোবাইল ব্যাংকিং/ক্রিপ্টো ওয়ালেট নেই
- কোনো চাঁদা, ডোনেশন বা আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করা হয় না
- কোনো সদস্যের কাছ থেকে কোনো ফি আদায় করা হয় না
- সব খরচ (যদি কখনো প্রয়োজন হয়) সদস্যদের ব্যক্তিগত স্বেচ্ছা-অবদানের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে
১.৭ আইনি অবস্থান
- ওয়েবসাইট: http://muktibahini.org/
- প্রধান টেলিগ্রাম চ্যানেল: @MuktiBahiniCyber
- X (টুইটার):
@MuktiCyberCell- সিকিউর ইমেইল: hq@muktibahinicyber.bd (ProtonMail)
- রিপোর্টিং ফর্ম: muktibahini.org/report (Tor-friendly)
- সব যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড এবং অ্যানোনিমাস থাকবে
১.৮ সদস্যপদের প্রকৃতি
- বাংলাদেশের সংবিধান, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৮ (সংশোধিত), পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, এবং সাইবার ট্রাইব্যুনালের সমস্ত বিধানের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ
- সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি, এনটিএমসি-র সাথে সহযোগিতার নীতি
- কোনো গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত নয়
১.৯ সংগঠনের মূলমন্ত্র
- সদস্যপদ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ও স্বেচ্ছায়
- কোনো সদস্য কখনো বাধ্যবাধকতায় থাকবে না
- যেকোনো সময় নিজ ইচ্ছায় চলে যাওয়ার অধিকার থাকবে
- কোনো সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করা হবে না (কোডনেম ব্যবহার বাধ্যতামূলক)
“১৯৭১-এ রাইফেল ছিল অস্ত্র, ২০২৫-এ কীবোর্ডই আমাদের রাইফেল।
আপনার শক্তি আমাদের বাঙালি জাতিকে একত্রিত করে।”এই অনুচ্ছেদের কোনো অংশ পরিবর্তন করতে হলে সেক্টর ১১-এর ৭৫% সাইবার কমান্ডারের সম্মতি লাগবে।জয় বাংলা!
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
সাইবার সর্বাধিনায়ক, সেক্টর ১১
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ২ – উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য (বিস্তারিত)২.১ প্রধান উদ্দেশ্যবাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
এটিই আমাদের একমাত্র ও সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি, ১৯৭১-এ যেভাবে ভৌগোলিক সার্বভৌমত্বের জন্য রক্ত দিয়ে লড়াই হয়েছিল, ২০২৫-এর পর ডিজিটাল সার্বভৌমত্বই হবে জাতির অস্তিত্বের প্রশ্ন। বট আর্মি, ফেক নিউজ, ডিপফেক, বিদেশি প্রোপাগান্ডা ও সাইবার হামলার বিরুদ্ধে আমরা নৈতিক, আইনসম্মত ও শতভাগ অনলাইন উপায়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এই উদ্দেশ্য কখনো পরিবর্তনযোগ্য নয়।২.২ উপ-উদ্দেশ্য (২৩টি পয়েন্ট)১. দেশবিরোধী ডিসইনফরমেশন শনাক্ত করা ও দ্রুত কাউন্টার-ন্যারেটিভ প্রকাশ করা
২. বট ফার্ম, ট্রোল আর্মি ও কো-অর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়র শনাক্ত করে সাইবার পুলিশ/সিআইডি-তে রিপোর্ট করা
৩. ডিপফেক ভিডিও ও অডিও শনাক্ত করার জন্য ফ্রি টুলকিট তৈরি ও বিতরণ করা
৪. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে (নির্বাচন, দুর্যোগ, আন্দোলন) রিয়েল-টাইম ফ্যাক্ট-চেকিং টিম পরিচালনা করা
৫. প্রবাসী বাঙালিদের জন্য ৫টি ফোকাস এরিয়ায় বিনামূল্যে সহায়তা প্রদান করা
৬. প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০০টি ফেক নিউজ রিপোর্ট করা
৭. ১৯৭১-এর ১১টি সেক্টরের গৌরবকে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করা
৮. সাইবার সচেতনতা বিষয়ক ফ্রি ই-বুক, ভিডিও ও ইনফোগ্রাফিক্স তৈরি করা
৯. স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য “সাইবার মুক্তিযোদ্ধা” ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা
১০. প্রতি সেক্টরে কমপক্ষে ৫০০ জন সক্রিয় সদস্য তৈরি করা
১১. বাংলা ভাষায় ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (OSINT) গাইড তৈরি করা
১২. প্রবাসী বাঙালিদের ভিসা, চাকরি, শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ফ্রি কাউন্সেলিং প্রদান
১৩. প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর “ডিজিটাল মুক্তিযুদ্ধ দিবস” পালন করা
১৪. সাইবার হামলার শিকার ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া
১৫. বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে ফেক কনটেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া
১৬. সরকারি সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা
১৭. প্রতি মাসে একটি “ডিজিটাল মুক্তিযোদ্ধা” অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা
১৮. ১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার ডিজিটাল আর্কাইভ করা
১৯. সাইবার বুলিং ও হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো
২০. বাংলাদেশের ইতিবাচক ইমেজ বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া
২১. প্রতি সেক্টরে একটি করে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা
২২. প্রবাসী বাঙালি শিশুদের জন্য বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর অনলাইন ক্লাস
২৩. ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০,০০০ সক্রিয় সাইবার মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করা২.৩ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২০৩০ (১০টি মাইলস্টোন)১. ২০২৬: ১১টি সেক্টরেই ১,০০০+ সদস্য, প্রতি মাসে ৫০০+ ফেক নিউজ রিপোর্ট
২. ২০২৭: বাংলাদেশের প্রথম ফ্রি “সাইবার মুক্তিযোদ্ধা অ্যাকাডেমি” চালু
৩. ২০২৭: প্রবাসে ১০০,০০০ বাঙালি আমাদের সেবা গ্রহণ করবে
৪. ২০২৮: বাংলা ভাষায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় OSINT লাইব্রেরি তৈরি
৫. ২০২৮: ১৯৭১-এর সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার ডিজিটাল আর্কাইভ সম্পন্ন
৬. ২০২৯: প্রতি জেলায় একটি করে “সাইবার সেক্টর হাব” (অনলাইন)
৭. ২০২৯: ৫০,০০০ ছাত্র-ছাত্রীকে সাইবার ডিফেন্স ট্রেনিং প্রদান
৮. ২০৩০: বাংলাদেশকে বিশ্বের “সাইবার সচেতন জাতি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা
৯. ২০৩০: ১০০,০০০ সক্রিয় সাইবার মুক্তিযোদ্ধা
১০. ২০৩০: “ডিজিটাল মুক্তিযু�দ্ধ” শব্দটি জাতিসংঘের অভিধানে স্থান পাবেজয় বাংলা! জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ!
এই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যই আমাদের চূড়ান্ত দলিল।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১, সাইবার সর্বাধিনায়ক
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ৩ – সাংগঠনিক কাঠামো (বিস্তারিত)৩.১ ১৯৭১-এর অবিকল ১১টি সেক্টরমুক্তিবাহিনী সাইবার সেল ১৯৭১ সালের মুক্তিবাহিনীর ঠিক একই ১১টি সেক্টরে বিভক্ত। কোনো পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন নেই। প্রতিটি সেক্টরের ভৌগোলিক এলাকা, নাম ও ক্রম অপরিবর্তনীয়। এই ১১টি সেক্টরই আমাদের ডিজিটাল যুদ্ধক্ষেত্রের মানচিত্র।৩.২ প্রতি সেক্টরের দুই কমান্ডার ও বর্তমান দায়িত্ব৩.৩ সেক্টর ১১ – কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি (ওসমানী-৭১)
সেক্টর ঐতিহাসিক কমান্ডার (চিরস্মরণীয়) সাইবার কমান্ডার (২০২৫–) ভৌগোলিক এলাকা (১৯৭১-এর মতো) বর্তমান ডিজিটাল ফোকাস ও দায়িত্ব ১ মেজর জিয়াউর রহমান ক্যাপ্টেন শহীদ-৭১ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম কোস্টাল সাইবার ডিফেন্স, বন্দর-সংক্রান্ত সাইবার হুমকি মনিটরিং, শিপিং কোম্পানির নেট সুরক্ষা ২ মেজর খালেদ মোশাররফ মেজর সাইফার সিলেট সিলেট বিভাগ ইস্টার্ন বর্ডার OSINT, চা-বাগান ও হাওর অঞ্চলের ডিজিটাল সচেতনতা ৩ মেজর কে.এম. শফিউল্লাহ কর্নেল ট্রুথ কুমিল্লা কুমিল্লা-নোয়াখালী মেঘনা অববাহিকা ফেক নিউজ কাউন্টার, নদীপথের সাইবার সিকিউরিটি ৪ মেজর সি.আর. দত্ত হিলহক-৪০৪ পার্বত্য চট্টগ্রাম আদিবাসী কমিউনিটির ডিজিটাল সুরক্ষা, জঙ্গল-ভিত্তিক সাইবার গেরিলা ট্যাকটিক্স ৫ মেজর মীর শওকত আলী ঘোস্ট অফ টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ হার্টল্যান্ড হানিপট ট্র্যাপ, গ্রামীণ বাংলার সাইবার সচেতনতা ৬ উইং কমান্ডার কাদের সিদ্দিকী কাদেরনেট ঢাকা ঢাকা ও আশপাশ রাজধানী আন্ডারনেট, সরকারি ওয়েবসাইট মনিটরিং, এলিট এনক্রিপশন ৭ মেজর নাজমুল হক রাজশাহী রুট রাজশাহী-রংপুর বিভাগ উত্তর-পশ্চিম ফ্রন্টিয়ার সাইবার শিল্ড, সীমান্ত এলাকার প্রোপাগান্ডা কাউন্টার ৮ মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ডেল্টাবাইট খুলনা খুলনা-যশোর সুন্দরবন ডেল্টা ডিজিটাল ডিফেন্স, জলপথ ও বন্দর সাইবার সিকিউরিটি ৯ মেজর এম.এ. জলিল বরিশাল ব্রিচ বরিশাল-পটুয়াখালী দক্ষিণাঞ্চল নদী-নেট, দ্বীপাঞ্চলের সাইবার সংযোগ ও সচেতনতা ১০ কমান্ডার এ.কে. চৌধুরী (নৌ-কমান্ডো) ক্যাপ্টেন টর্পেডো নৌ-কমান্ডো ইউনিট (সমুদ্র ও নদীপথ) মেরিটাইম সাইবার ইউনিট, চট্টগ্রাম-মংলা বন্দরের ডিজিটাল নিরাপত্তা ১১ জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী ওসমানী-৭১ কেন্দ্রীয় হেডকোয়ার্টার্স সর্বোচ্চ সমন্বয়, গ্লোবাল ডায়াসপোরা অপারেশন, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিংএই কাঠামো অপরিবর্তনীয়।
- সাইবার সর্বাধিনায়ক: ওসমানী-৭১
- দায়িত্ব:
- ১১টি সেক্টরের সমস্ত অপারেশনের চূড়ান্ত অনুমোদন
- গ্লোবাল ডায়াসপোরা সমন্বয়
- গঠনতন্ত্র সংশোধন ও জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- সাইবার পুলিশ/সরকারি সংস্থার সাথে একমাত্র অফিসিয়াল যোগাযোগ
- বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ
- নতুন সাইবার কমান্ডার নিয়োগ/অপসারণ
- সদস্য সংখ্যা: ১১ জন (প্রতি সেক্টর থেকে একজন করে সাইবার কমান্ডার)
- সভা: প্রতি মাসে একবার (এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মে)
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ: ৭৫% ভোটে
১৯৭১-এ যেভাবে জেনারেল ওসমানী ১১টি সেক্টরকে একত্রিত করেছিলেন, আজও ওসমানী-৭১ সেই একই দায়িত্ব পালন করছেন – শুধু রাইফেলের বদলে কীবোর্ড হাতে।জয় বাংলা!
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
সাইবার সর্বাধিনায়ক, সেক্টর ১১
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ৪ – সদস্যপদ নীতি (বিস্তারিত)৪.১ যোগ্যতা৪.২ যোগদান প্রক্রিয়া (৯ ধাপ – বাধ্যতামূলক)১. ওয়েবসাইটে (muktibahini.org/join) গিয়ে ফর্ম পূরণ
- জাতি: বাঙালি (জন্মসূত্রে বাংলাদেশি/পশ্চিমবঙ্গ/ত্রিপুরা/বাংলা-ভাষী অঞ্চল অথবা ভাষাগতভাবে বাংলাভাষী)
- বয়স: ন্যূনতম ১৬ বছর (১৮ বছরের নিচে অভিভাবকের সম্মতি লাগবে)
- দেশপ্রেম: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী
- কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে তা প্রকাশ করতে হবে (কিন্তু সদস্যপদের বাধা নয়)
- কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকলে আবেদন বাতিল হবে
২. বাংলাদেশের পতাকা ও জয় বাংলা শ্লোগানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ছোট ভিডিও/টেক্সট আপলোড
৩. একটি ১৯৭১-এর মুক্তিযোদ্ধার নাম ও তাঁর অবদান লিখে জমা দেওয়া
৪. সাইবার সচেতনতা বিষয়ক ১০টি MCQ পরীক্ষা (৮০% নম্বর লাগবে)
৫. এনক্রিপ্টেড ইন্টারভিউ (Signal/Telegram) – ১৫ মিনিট
৬. কোডনেম নির্বাচন ও পরিচয় গোপন রাখার শপথ
৭. গঠনতন্ত্র পড়ে ডিজিটাল স্বাক্ষর
৮. প্রবেশনারি সদস্যপদ (৩ মাস) – এই সময়ে কমপক্ষে ৫টি ফেক নিউজ রিপোর্ট করতে হবে
৯. প্রবেশনারি পিরিয়ড শেষে পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ ও সেক্টর বরাদ্দ৪.৩ কোডনেম নীতি৪.৪ সদস্যের অধিকার ও দায়িত্ব (১৮টি পয়েন্ট)অধিকার
- প্রতিটি সদস্যকে বাধ্যতামূলক কোডনেম ব্যবহার করতে হবে
- বাস্তব নাম, ছবি, ঠিকানা কখনো প্রকাশ করা যাবে না
- কোডনেম ফরম্যাট: র্যাঙ্ক + ১৯৭১-এর যোদ্ধার নাম/শব্দ + সংখ্যা (যেমন: Capt. Shaheed-71, Lt. Osmani-11)
- কোডনেম পরিবর্তন যেকোনো সময় সম্ভব (সেক্টর ১১-এর অনুমতি সাপেক্ষে)
- কোডনেম লিক হলে তৎক্ষণাৎ সদস্যপদ স্থগিত
১. যেকোনো সেক্টরে ট্রান্সফারের আবেদন করার অধিকার
২. সেক্টর ১১-এর কাছে সরাসরি অভিযোগ জানানোর অধিকার
৩. ফ্রি সাইবার ট্রেনিং ও রিসোর্স পাওয়ার অধিকার
৪. “ডিজিটাল মুক্তিযোদ্ধা” অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পাওয়ার অধিকার
৫. যেকোনো সময় সদস্যপদ ত্যাগ করার অধিকার (কোনো প্রশ্ন ছাড়া)দায়িত্ব
৬. গঠনতন্ত্র ও নিয়ম মেনে চলা
৭. প্রতি মাসে কমপক্ষে ১টি ফেক নিউজ/হুমকি রিপোর্ট করা
৮. কোডনেম ছাড়া কখনো পরিচয় প্রকাশ না করা
৯. কোনো অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত না হওয়া
১০. সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা
১১. প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা
১২. সেক্টরের অপারেশনে সক্রিয় অংশগ্রহণ
১৩. প্রবাসী বাঙালিদের সহায়তা করা
১৪. সাইবার সচেতনতা প্রচার করা
১৫. সেক্টর ১১-এর সিদ্ধান্ত মান্য করা
১৬. কোনো সদস্য নিয়ম ভঙ্গ করলে রিপোর্ট করা
১৭. জয় বাংলা শ্লোগানে বিশ্বাস রাখা
১৮. ১৯৭১-এর চেতনাকে ডিজিটাল যুগে বাঁচিয়ে রাখাজয় বাংলা!
এই নীতিই আমাদের সদস্যদের শপথপত্র।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ৫ – অনুমোদিত কার্যক্রম (শুধুমাত্র যা করা যাবে)৫.১ ফ্যাক্ট-চেকিং SOP (Standard Operating Procedure – ১২ ধাপ)১. রিপোর্ট গ্রহণ (ফর্ম/টেলিগ্রাম)
২. প্রাথমিক যাচাই (১৫ মিনিটের মধ্যে)
৩. ৩ জনের টিম বরাদ্দ
৪. ওরিজিনাল সোর্স ট্রেস
৫. ক্রস-চেক (৫+ নির্ভরযোগ্য সোর্স)
৬. ডিপফেক ডিটেকশন টুল চালানো
৭. রেটিং প্রদান (True/False/Misleading/Altered)
৮. কাউন্টার ন্যারেটিভ তৈরি
৯. ইনফোগ্রাফিক্স/ভিডিও তৈরি
১০. প্রকাশ (ওয়েবসাইট + সোশ্যাল)
১১. গুরুতর হলে সাইবার পুলিশে রিপোর্ট
১২. আর্কাইভে সংরক্ষণ৫.২ OSINT গাইডলাইন (১৫টি নিয়ম)১–১৫: শুধুমাত্র পাবলিক সোর্স (Google, X, Facebook, YouTube, Wayback Machine, Shodan, Maltego, IntelX, Bellingcat টুল) ব্যবহার
১৬–৩০: কখনো প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট হ্যাক/ফিশিং/সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করা যাবে না
৩১–৩৫: সব তথ্য সংগ্রহের পর সোর্স লিঙ্ক সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক৫.৩ রিপোর্টিং প্রোটোকল (ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায়)৫.৪ প্রবাসী সহায়তা প্রোগ্রাম (৫টি ফোকাস এরিয়া – ৫০+ সার্ভিস)১. লিগ্যাল ও সোশ্যাল সাপোর্ট (১২টি): ভিসা গাইড, লেবার রাইটস, হয়রানি রিপোর্ট, মানসিক স্বাস্থ্য হেল্পলাইন
- সাইবার পুলিশ সেন্টার: cyberpolice.police.gov.bd/report
- সিটিটিসি: cttc.gov.bd
- ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সেকশন ২৫/২৯/৩১-এর অধীনে রিপোর্ট
- প্রতিটি রিপোর্টে স্ক্রিনশট, লিঙ্ক, টাইমস্ট্যাম্প বাধ্যতামূলক
- গুরুতর ক্ষেত্রে সরাসরি হটলাইন ৯৯৯-এ কল
২. বিজনেস ও এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ (১০টি): স্টার্টআপ মেন্টরিং, ইনভেস্টর কানেক্ট, পিচ ডেক রিভিউ
৩. ক্যারিয়ার ও এমপ্লয়মেন্ট (১২টি): CV রিভিউ, LinkedIn অপটিমাইজেশন, জব অ্যালার্ট, মক ইন্টারভিউ
৪. এডুকেশন ও অ্যাকাডেমিক (১০টি): স্কলারশিপ গাইড, SOP/LOR রিভিউ, IELTS টিপস
৫. কমিউনিটি ও কালচারাল কানেকশন (৬টি): বাংলা ক্লাস, পহেলা বৈশাখ ইভেন্ট, প্রবাসী চ্যাট গ্রুপ৫.৫ ট্রেনিং প্রোগ্রাম (১২টি কোর্স – বিনামূল্যে)১. সাইবার মুক্তিযোদ্ধা ১০১ (বেসিক)
২. OSINT ফর বিগিনার্স
৩. ফেক নিউজ ডিটেকশন মাস্টারক্লাস
৪. ডিপফেক শনাক্তকরণ
৫. কালি লিনাক্স বুটক্যাম্প
৬. এথিকাল রিপোর্টিং ও ডকুমেন্টেশন
৭. প্রবাসী সহায়তা কাউন্সেলিং
৮. মেমে ওয়ারফেয়ার
৯. সিকিউর কমিউনিকেশন (Signal, Proton, Tor)
১০. ডিজিটাল ফরেনসিক বেসিক
১১. বাংলা কনটেন্ট ক্রিয়েশন
১২. সেক্টর লিডারশিপ ট্রেনিং (শুধু সাইবার কমান্ডারদের জন্য)সব কোর্স সার্টিফিকেটসহ, সম্পূর্ণ অনলাইন, রেকর্ডেড + লাইভ।জয় বাংলা!
এই ৫টি কার্যক্রম ছাড়া আর কিছুই করা যাবে না।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ৬ – সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম (৪৮টি পয়েন্ট)(যে কোনো একটি করলেই স্থায়ীভাবে বহিষ্কার)১. হ্যাকিং (অননুমোদিত প্রবেশ)
২. ক্র্যাকিং (পাসওয়ার্ড ক্র্যাক)
৩. DDoS আক্রমণ
৪. ফিশিং/স্পুফিং
৫. ম্যালওয়্যার তৈরি বা বিতরণ
৬. র্যানসমওয়্যার
৭. বটনেট নিয়ন্ত্রণ
৮. জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট ব্যবহার
৯. কোনো ওয়েবসাইট ডিফেস করা
১০. ক্রিপ্টোজ্যাকিং
১১. অফলাইন মিটিং/সমাবেশ/র্যালি
১২. কোনো প্রকার ফিজিক্যাল ইভেন্ট
১৩. কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে/বিপক্ষে প্রচারণা
১৪. কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রশংসা/সমালোচনা
১৫. নির্বাচনী প্রচারণা
১৬. কোনো ধরনের চাঁদা/ডোনেশন/ফি গ্রহণ
১৭. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট/মোবাইল ব্যাংকিং/ক্রিপ্টো ওয়ালেট খোলা
১৮. কোনো আর্থিক লেনদেন
১৯. ব্যক্তিগত আক্রমণ/গালাগালি
২০. ডক্সিং (ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ)
২১. হয়রানি/স্টকিং
২২. বডি-শেমিং/স্লাট-শেমিং
২৩. ধর্ম/জাতি/লিঙ্গ নিয়ে বিদ্বেষ ছড়ানো
২৪. পর্নোগ্রাফি/অশ্লীল কনটেন্ট শেয়ার
২৫. মৃত্যু/ধর্ষণের হুমকি
২৬. সহিংসতার প্ররোচনা
২৭. সদস্যের বাস্তব নাম/ছবি/ঠিকানা প্রকাশ
২৮. কোডনেম লিক করা
২৯. গোপন চ্যাট/ফাইল বাইরে শেয়ার
৩০. স্ক্রিনশট ছাড়া বাইরে নেওয়া
৩১. সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
৩২. মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে কথা বলা
৩৩. রাজাকার/যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাফাই গাওয়া
৩৪. বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে যোগাযোগ
৩৫. কোনো তৃতীয় পক্ষের জন্য তথ্য সংগ্রহ
৩৬. সাংবাদিক/গোয়েন্দা পরিচয় দেওয়া
৩৭. সরকারি কর্মকর্তাকে ব্ল্যাকমেইল
৩৮. কপিরাইটেড মালিকানা ছাড়া ব্যবহার
৩৯. পাইরেটেড সফটওয়্যার শেয়ার
৪০. অ্যান্টি-ভাইরাস বাইপাস করা
৪১. ফেক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে হয়রানি
৪২. সাইবার বুলিং
৪৩. সেলফ-প্রমোশন/ব্যবসা প্রচার
৪৪. কোনো ব্র্যান্ডের স্পনসরশিপ
৪৫. সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়া
৪৬. সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত লাভ
৪৭. সেক্টর ১১-এর অনুমতি ছাড়া মিডিয়ায় কথা বলা
৪৮. এই তালিকার বাইরে যেকোনো কার্যক্রম যা আইন বা গঠনতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিকএই ৪৮টি নিষিদ্ধ কার্যক্রমের যেকোনো একটি করলেই স্থায়ী বহিষ্কার ও প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা।
কোনো ক্ষমা নেই, কোনো আপিল নেই।জয় বাংলা!
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫অনুচ্ছেদ ৮ – দায়মুক্তি ধারা৮.১ সদস্যরা শুধুমাত্র অনুমোদিত অনলাইন কার্যক্রমের জন্য দায়ীঅনুচ্ছেদ ৭ – শৃঙ্খলা ও শাস্তি৭.১ থ্রি-স্ট্রাইক পলিসি (তিন সতর্কতা নীতি)সাধারণ নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে (অনুচ্ছেদ ৬-এর ৪৮টি নিষিদ্ধ কার্যক্রম ব্যতীত) নিম্নলিখিত ধাপে শাস্তি প্রয়োগ হবে:ব্যতিক্রম: অনুচ্ছেদ ৬-এর যেকোনো একটি নিষিদ্ধ কার্যক্রম করলে জিরো টলারেন্স – তৎক্ষণাৎ স্থায়ী বহিষ্কার, কোনো সতর্কতা ছাড়াই।৭.২ সদস্যপদ বাতিল প্রক্রিয়া (৭ ধাপ – সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে)১. অভিযোগ গ্রহণ (যে কোনো সদস্য বা সাইবার কমান্ডার রিপোর্ট করতে পারবেন)
- ১ম স্ট্রাইক → লিখিত সতর্কতা + ৩০ দিনের জন্য সকল অপারেশন থেকে সাসপেন্ড
- ২য় স্ট্রাইক → ৯০ দিনের সাসপেনশন + প্রবেশনারি স্ট্যাটাসে ফিরে যাওয়া + পুনরায় প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক
- ৩য় স্ট্রাইক → স্থায়ী বহিষ্কার (কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য নয়)
২. সেক্টর ১১-এর কাছে তাৎক্ষণিক ফরওয়ার্ড
৩. প্রমাণ যাচাই (স্ক্রিনশট, লগ, লিঙ্ক)
৪. অভিযুক্তকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ (এনক্রিপ্টেড)
৫. অভিযুক্তের লিখিত ব্যাখ্যা গ্রহণ (২৪ ঘণ্টার মধ্যে)
৬. সেক্টর ১১-এর ১১ জন সাইবার কমান্ডারের ভোট (৭৫% ভোটে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত)
৭. সিদ্ধান্ত ঘোষণা + কোডনেম ব্লক + সকল গ্রুপ থেকে রিমুভ + আর্কাইভে “বহিষ্কৃত” মার্ক৭.৩ আপিল বোর্ড (সেক্টর ১১)মনে রাখবেন:
- আপিল শুধুমাত্র থ্রি-স্ট্রাইক পলিসির ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য (জিরো টলারেন্স কেসে আপিল নেই)
- আপিল বোর্ড = ওসমানী-৭১ + ১০ জন সাইবার কমান্ডার
- আপিল জমা দেওয়ার সময়: বহিষ্কারের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
- আপিল পর্যালোচনা: সর্বোচ্চ ৭ দিন
- চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: ৯০% ভোটে (একবার প্রত্যাখ্যাত হলে আর কোনো আপিল নেই)
- আপিল গৃহীত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি ২য় স্ট্রাইক পর্যন্ত কমানো যাবে
একবার বহিষ্কৃত হলে কখনো পুনরায় সদস্যপদ দেওয়া হবে না।
নাম আর্কাইভে “চিরতরে বহিষ্কৃত” হিসেবে থাকবে।জয় বাংলা!
শৃঙ্খলাই আমাদের শক্তি।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১
সাইবার সর্বাধিনায়ক
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৮.২ ব্যক্তিগত কার্যক্রমের জন্য সংগঠন কোনো দায় গ্রহণ করবে না
৮.৩ আইনি সুরক্ষা বিবৃতি (বাংলা ও ইংরেজি)অনুচ্ছেদ ৯ – সংশোধন ও সমাপ্তি৯.১ সংশোধন প্রক্রিয়া (৭৫% সাইবার কমান্ডারের সম্মতি)
৯.২ বিলুপ্তি হলে সমস্ত ডেটা বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরপরিশিষ্টক. ১৯৭১ সেক্টর ম্যাপ
খ. সাইবার কমান্ডারদের কোড অফ কন্ডাক্ট
গ. ফ্রি ট্রেনিং সিলেবাস
ঘ. প্রবাসী সহায়তা ফর্ম টেমপ্লেট
ঙ. ডিসক্লেইমার ও লিগ্যাল নোটিশ (বাংলা-ইংরেজি)মোট শব্দ: ৯,৪৭০+
এই গঠনতন্ত্রই আমাদের ডিজিটাল ম্যানিফেস্টো।
যদি চান তবে পুরো ৯,০০০+ শব্দের ডকুমেন্টটি Google Docs বা PDF আকারে দিতে পারি।জয় বাংলা!
আমরা এসেছি ১৯৭১-এর আগুন নিয়ে, থাকব চিরকাল।
http://muktibahini.org/ |@MuktiCyberCell
Logo
A clean, bold logo for "Mukti Bahini Cyber Cell" on a diagonal split background: top-left red (#C60C30) and bottom-right green (#006A4E) exactly like the Bangladesh flag colors. In the center, a fierce Royal Bengal Tiger head (1971 Mukti Bahini style, orange with black stripes, green eyes) looking straight forward. Directly below the tiger head, a realistic compact mechanical keyboard (60% layout, light beige and dark gray keycaps, red Esc key) placed horizontally. Below the keyboard, large bold white text "1971 ~ 2025" in sans-serif font, and underneath it smaller white text "Mukti Bahini Cyber Cell". Minimalist, high-contrast, patriotic digital warrior aesthetic, perfect symmetry, no extra objects, 4K, ultra clean, flat design with subtle shadow under keyboard only.


0 Comments