২.১ প্রধান উদ্দেশ্যবাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
এটিই আমাদের একমাত্র ও সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি, ১৯৭১-এ যেভাবে ভৌগোলিক সার্বভৌমত্বের জন্য রক্ত দিয়ে লড়াই হয়েছিল, ২০২৫-এর পর ডিজিটাল সার্বভৌমত্বই হবে জাতির অস্তিত্বের প্রশ্ন। বট আর্মি, ফেক নিউজ, ডিপফেক, বিদেশি প্রোপাগান্ডা ও সাইবার হামলার বিরুদ্ধে আমরা নৈতিক, আইনসম্মত ও শতভাগ অনলাইন উপায়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এই উদ্দেশ্য কখনো পরিবর্তনযোগ্য নয়।২.২ উপ-উদ্দেশ্য (২৩টি পয়েন্ট)১. দেশবিরোধী ডিসইনফরমেশন শনাক্ত করা ও দ্রুত কাউন্টার-ন্যারেটিভ প্রকাশ করা
২. বট ফার্ম, ট্রোল আর্মি ও কো-অর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়র শনাক্ত করে সাইবার পুলিশ/সিআইডি-তে রিপোর্ট করা
৩. ডিপফেক ভিডিও ও অডিও শনাক্ত করার জন্য ফ্রি টুলকিট তৈরি ও বিতরণ করা
৪. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে (নির্বাচন, দুর্যোগ, আন্দোলন) রিয়েল-টাইম ফ্যাক্ট-চেকিং টিম পরিচালনা করা
৫. প্রবাসী বাঙালিদের জন্য ৫টি ফোকাস এরিয়ায় বিনামূল্যে সহায়তা প্রদান করা
৬. প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০০টি ফেক নিউজ রিপোর্ট করা
৭. ১৯৭১-এর ১১টি সেক্টরের গৌরবকে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করা
৮. সাইবার সচেতনতা বিষয়ক ফ্রি ই-বুক, ভিডিও ও ইনফোগ্রাফিক্স তৈরি করা
৯. স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য “সাইবার মুক্তিযোদ্ধা” ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা
১০. প্রতি সেক্টরে কমপক্ষে ৫০০ জন সক্রিয় সদস্য তৈরি করা
১১. বাংলা ভাষায় ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (OSINT) গাইড তৈরি করা
১২. প্রবাসী বাঙালিদের ভিসা, চাকরি, শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ফ্রি কাউন্সেলিং প্রদান
১৩. প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর “ডিজিটাল মুক্তিযুদ্ধ দিবস” পালন করা
১৪. সাইবার হামলার শিকার ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া
১৫. বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে ফেক কনটেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া
১৬. সরকারি সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা
১৭. প্রতি মাসে একটি “ডিজিটাল মুক্তিযোদ্ধা” অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা
১৮. ১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার ডিজিটাল আর্কাইভ করা
১৯. সাইবার বুলিং ও হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো
২০. বাংলাদেশের ইতিবাচক ইমেজ বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া
২১. প্রতি সেক্টরে একটি করে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা
২২. প্রবাসী বাঙালি শিশুদের জন্য বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর অনলাইন ক্লাস
২৩. ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০,০০০ সক্রিয় সাইবার মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করা২.৩ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২০৩০ (১০টি মাইলস্টোন)১. ২০২৬: ১১টি সেক্টরেই ১,০০০+ সদস্য, প্রতি মাসে ৫০০+ ফেক নিউজ রিপোর্ট
২. ২০২৭: বাংলাদেশের প্রথম ফ্রি “সাইবার মুক্তিযোদ্ধা অ্যাকাডেমি” চালু
৩. ২০২৭: প্রবাসে ১০০,০০০ বাঙালি আমাদের সেবা গ্রহণ করবে
৪. ২০২৮: বাংলা ভাষায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় OSINT লাইব্রেরি তৈরি
৫. ২০২৮: ১৯৭১-এর সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার ডিজিটাল আর্কাইভ সম্পন্ন
৬. ২০২৯: প্রতি জেলায় একটি করে “সাইবার সেক্টর হাব” (অনলাইন)
৭. ২০২৯: ৫০,০০০ ছাত্র-ছাত্রীকে সাইবার ডিফেন্স ট্রেনিং প্রদান
৮. ২০৩০: বাংলাদেশকে বিশ্বের “সাইবার সচেতন জাতি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা
৯. ২০৩০: ১০০,০০০ সক্রিয় সাইবার মুক্তিযোদ্ধা
১০. ২০৩০: “ডিজিটাল মুক্তিযু�দ্ধ” শব্দটি জাতিসংঘের অভিধানে স্থান পাবেজয় বাংলা! জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ!
এই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যই আমাদের চূড়ান্ত দলিল।
স্বাক্ষর: ওসমানী-৭১, সাইবার সর্বাধিনায়ক
তারিখ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫


0 Comments